মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

APA

সূচিপত্র
               কর্মসম্পাদনের সার্বিক চিত্র
               উপক্রমণিকা
               সেকশন ১: কার্যাবলী
               সেকশন ২: কার্যক্রম, কর্মসম্পাদন সূচক এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ
               সংযোজনী ১: শব্দ সংক্ষেপ (অপৎড়হুসং)
               সংযোজনী ২: কর্মসম্পাদন সূচকসমূহ, বাস্তবায়নকারী এবং পরিমাপ পদ্ধতি
সংযোজনী ৩: কর্মসম্পাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্য দপ্তর/সংস্থার উপর নির্ভরশীলতা
 
পুলিশ সুপার, বরগুনা এর কর্মসম্পাদনের সার্বিক চিত্র
(Overview of the performance of SP, Barguna District.)
 
               সাম্প্রতিক বছর সমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জন ঃ-
 
১.       জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস এবং দেশের নিরাপত্তা বিঘিœতকারীদের দমন করা।
২.       পুলিশী সেবার গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিডি পুলিশ হেল্প লাইন (ইউ চড়ষরপব ঐবষঢ় খরহব), জাতীয় জরুরী সেবা ‘৯৯৯’ চালু করা হয়েছে।
৩.       অনলাইন এর মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেয়া।
৪.       বরগুনা জেলার সকল থানার সাথে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনলাইন যোগাযোগ চালু করা।
৫.       অপরাধ ও অপরাধীদের দমনের লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশিং, স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে সফলতা অর্জন করা।
৬.       থানা পর্যায়ে নিয়মিত ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠান এবং জনগণের সমস্যাসমূহ/অভিযোগসমূহ শোনা, পুলিশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
৭.  স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষকে জঙ্গি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে স্বোচ্ছার করা।
৯. জেলার সকল থানার মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা প্রস্তুত এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা 
     গ্রহণ করা এবং মাদকসেবীদের পুনর্বাসনে সহায়তা করা।
               ১০. দ্বন্দ্ব নিরসনের বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়।
               ১১. সড়ক দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে মালিক, চালক ও হেল্পারদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভাসহ প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
               ১২. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উইমেন সাপোর্ট সেন্টার স্থাপন করা। এছাড়া থানা সমূহে নারী ও শিশু বান্ধব ডেক্স স্থাপন করা হয়েছে।
সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সমূহঃ
             গতানুগতিক সমস্যা ঃ-
               জনসংখ্যার তুলনায় অপর্যাপ্ত জনবল, লজিস্টিক সাপোর্ট যথা যানবাহন ও আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব। আবাসন সমস্যা এবং যুগপযোগী প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে।
             সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ঃ-
               এছাড়া তথ্য প্রযুক্তির বিকাশের ফলে অপরাধের ঝুঁকিসমূহ খুব দ্রুত ট্রান্সন্যাশনাল এবং আন্তর্জাতিক রূপ লাভ করেছে। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ভাংচুর এখন শুধু বস্তু কেন্দ্রিক বা অবয়ব কেন্দ্রিক নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তথ্য দ্বারা চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দৈনন্দিন এবং কৌশলগত কার্যক্রম অচল করা/ভেঙ্গেঁ দেয়ার ঘটনা ঘটছে সাইবার জগতে। দ্রুত সম্প্রসারিত তথ্য সমাজে সংস্কৃতির ওপর আঘাত, আগ্রাসন, অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা ঘটছে ব্যাপক। চুরি, ডাকাতির অস্ত্র, নতুন নতুন ম্যালওয়ার, র‌্যানসমওয়ার, হ্যাকিং পদ্ধতি নিত্য নতুন রূপ ধারন করে আসছে প্রতিদিন। বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির ঘটনা এটার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। ফলে এতকাল ধরে চলে আসা গতানুগতিক অপরাধ ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি, প্রশিক্ষন, পুলিশী তৎপরতা এই ঘুগে এসে ধাক্কা খাচ্ছে। সুরক্ষিত সীমান্ত, সুরক্ষিত দেয়াল, টহলরত প্রহরী অক্ষম হয়ে পড়ছে এই নতুন ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে। এখন প্রয়োজন হচ্ছে সাইবার ওয়াল, সাইবার প্যাট্রল, সাইবার নিরাপত্তা। জমি দখল, বাড়ী ভাংচুরের মত চ্যালেঞ্জ গুলোর মত মানুষকে দখল বা এজেন্ট সৃষ্টি করা হচ্ছে। অন্তর্ঘাত করে মানুষের মধ্যে বা সমাজে হঠাৎ ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক বিতর্ক, দ্বন্দ উত্তেজেনা সংঘাত ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। কক্সবাজারের রামু এবং ব্রাহ্মনবাড়ীয়া নাসির নগরের ঘটনা সেগুলোর বড় উদাহরণ। তাই আজকে রাজপথে টহলের মতই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে সাইবার প্যাট্রল। সমাজে দৃশ্যমান নতুন ঝুঁকি চিহ্নিত করার মতই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে সাইবার ঝুঁকি চিহ্নিত করা, নতুন ভাবে সৃষ্ট সাইবার ঝুঁকিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রন করা। আজকের অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের জন্য প্রয়োজনীয় যুগোপযোগী প্রযুক্তি, প্রশিক্ষন, দক্ষ জনবল, বিশেষজ্ঞ এবং আর্থিক ও অন্যান্য সমস্যা রয়েছে।
               বিশ্বে চলমান রাজনীতিজাত সাংস্কৃতিক লড়াই বর্তমানে সামরিক শক্তি প্রয়োগে গড়িয়েছে। যার প্রধান ফসল হলো বিদ্বেষমূলক প্রচারনা ও জঙ্গীবাদ ছড়ানো। গত এক বছর ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা নিয়ন্ত্রন সমাজের সকল শ্রেনী পেশার মানুষকে সচেতন, উদ্ধুদ্ধ করা এবং অংশীদারিত্বমূলক অবদান নিয়ে আসতে হবে। সে ক্ষেত্রে জনগন এবং গণমাধ্যমের সাথে পুলিশী যোগাযোগ এবং সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরিতে ঘাটতি রয়েছে। 
               ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ-      
১.       কার্যকরভাবে অপরাধ দমন ও অপরাধের উৎস উদঘাটন করা।
২.       আইনের কাঠোর ও ন্যায়সংগত প্রয়োগ নিশ্চিত করা।
৩.       ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার ও অনলাইন সেবার মাধ্যমে দ্রুততর এবং কার্যকরভাবে পুলিশি সেবা প্রদান।
৪.       কমিউনিটিং পুলিশিং ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে সম্প্রসারন করা।
৫.       গণমাধ্যমের সাহায্যে ইতিবাচক প্রচারণা বৃদ্ধি করা। নেতিবাচক প্রচারণাগুলো দ্রুত খন্ডানো। নানা ক্ষেত্রেই এডভোকেসি করা যাতে জনগনের দৃষ্টিভঙ্গিঁ, জনমত ইতিবাচক হয়।
৬.       সাইবার ক্রাইম প্রতিহতকরণ, নিয়ন্ত্রণ এবং উদঘাটনকারি ইউনিট সৃষ্টি করা।
               ২০১৭-২০১৮ বছরে সম্ভাব্য প্রধান অর্জনসমূহ
১.       অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, প্রতিহত করণ এবং উদঘাটনের মাধ্যমে মানুষকে শান্তি ও নিরাপত্তা দেয়া এবং দেশের সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করা।
২.       বিজ্ঞান ভিত্তিক ও প্রযুক্তি নির্ভর তদন্ত কার্যক্রমের সম্প্রসারণ।
৩.       জঙ্গীবাদ নিয়ন্ত্রনে অভিযান জোরদার করা, জনগনকে সম্পৃক্ত করা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
৪.       মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করা।
৫.       প্রবাসী ও বিদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৬.       পরিবেশ বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া।
 
উপক্রমণিকা
               আমি বিজয় বসাক, পিপিএম, পুলিশ সুপার, বরগুনা; বরগুনা জেলা পুলিশ এর প্রতিনিধি হিসেবে ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ, বরিশাল রেঞ্জ, বরিশাল এর নিকট অঙ্গীকার করছি যে, এই চুক্তিতে বর্ণিত ফলাফল অর্জনে সচেষ্ট থাকব।
               আমি শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, বিপিএম, পিপিএম ডিআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ, বরিশাল রেঞ্জ, বরিশাল পুলিশ সুপার বরগুনা এর নিকট অঙ্গীকার করছি যে, এই চুক্তিতে বর্ণিত ফলাফল অর্জনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করব।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)